শারীরিক সম্পর্ক গলাবে ঝগড়ার বরফ

শারীরিক সম্পর্ক গলাবে ঝগড়ার বরফ

ভাল লাগলে শেয়ার করে সবাইকে জানান

দাম্পত্য জীবনে একসঙ্গে থাকতে গেলে একটু-আধটু ঝগড়া লেগেই থাকে। এর রেশ ধরে অনেকেই একে-অপরের সঙ্গে কথা বলা কয়েকদিনের জন্য বন্ধ রাখেন। এতে দুজনের মধ্যে একটু দূরত্ব তৈরি হয়। এ সময় শারীরিক সম্পর্কই কেবল দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঝগড়ার বরফ গলিয়ে দুজনের মধ্যে সম্পর্কটাকে সহজ করে তুলতে সাহায্য করে শারীরিক সম্পর্ক।শারীরিক সম্পর্ক কীভাবে মানসিক বাধা কাটাতে সাহায্য করে তা জানিয়ে দিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া-

শারীরিক সম্পর্ক মানসিক দূরত্ব কমায়

রাগ, হতাশা এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয় শারীরিক সম্পর্ক। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শারীরিক সম্পর্কে স্বাস্থ্যের নানা উপকার হয়। এর ফলে শরীর থেকে অক্সিটোসিন নামে এক ধরনের হরমোন নির্গত হয় যা চাপ কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শারীরিক সম্পর্ক হলো এক ধরনের শারীরিক ব্যায়াম। এর ফলে ফিট, স্বাস্থ্যবান এবং ভালো বোধ হওয়ার মতো নানা উপকার পাওয়া যায়। তাই তিক্ত ঝগড়ার পর সম্পর্কের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে দম্পতিদের জন্য একটি ভালো উপায় হতে পারে শারীরিক সম্পর্ক।

মাধ্যম হিসেবে কাজ করে

কখনো কখনো ঝগড়ার পর আমরা নিজেদের রাগ এবং হতাশার কথা বলতে পারি না। এ ক্ষেত্রে শারীরিক সম্পর্ক একটি মাধ্যমের মতো কাজ করে। ঝগড়ার পর শারীরিক সম্পর্ক হলে তা মনকে শান্ত রাখে। পাশাপাশি আমাদের চাপমুক্ত রাখতেও সাহায্য করে শারীরিক সম্পর্ক।

সুসময়ের স্মরণ করায়

ঝগড়ায় সম্পর্ক যতোই খারাপ হোক না কেন শারীরিক সম্পর্ক আবারও আগের ভালো সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। তখন এটা বারবার মনে হতে থাকে যে আপনারা একে অপরের জন্যই সৃষ্টি হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দুজন দুজনকে অনেক ভালোবাসেন।

দূরত্ব কমায়

দাম্পত্য জীবনে চলার পথে যেকোনো কারণে একটু দূরত্ব তৈরি হতেই পারে। এ সময় শারীরিক সম্পর্কই কেবল সম্পর্কের দূরত্ব কমাতে ভূমিকা রাখে। এর ফলে আপনারা আবারও মনে করতে শুরু করেন যে, আমরা সবে একে অপরের সঙ্গে ডেটিং শুরু করেছি।

ঝগড়ার বরফ গলায়

ঝগড়ার পর কখনো কখনো আমরা একে-অপরের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেই। এ সময় দুজনের মধ্যকার নিরবতা ভাঙাতে সাহায্য করে শারীরিক সম্পর্ক। এটি আমাদের মধ্যকার ঝগড়ার বরফ গলিয়ে সম্পর্কটাকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।

দুঃখিত বলার প্রক্রিয়া

আবেগপ্রবণ চুম্বন এবং শারীরিক সম্পর্কই হতে পারে সঙ্গীকে দুঃখিত বলার একটি সর্বোত্তম প্রক্রিয়া। ঝগড়ার পর অনুভূতি প্রকাশের সব কথাই যখন ব্যর্থ হয়ে যায় তখন শারীরিক সর্ম্পকই কেবল আপনার সম্পর্কটাকে আবার আগের মতো সহজ করে দেয়। মনে রাখবেন, ঝগড়া দুজনের বন্ধনকে শুধু দুর্বল করে না, মজবুত করতেও ভূমিকা রাখে।


ভাল লাগলে শেয়ার করে সবাইকে জানান

COMMENTS